শীতকালে বিয়ে করার ৭ সুবিধা

0
725

শীতকালকে অনেকেই বিয়ের মৌসুম বলে থাকে। কারণ বিয়ের জন্য অনেক বাংলাদেশের অনেক অঞ্চলে শীতকে প্রাধান্য দেয়। শীতকালে বিয়ের আয়োজন করা হলে বাড়তি কিছু সুবিধা পান আয়োজকরা। আসুন জেনে নেই শীতকালে বিয়ে করার উল্লেখযোগ্য ৭টি সুবিধা।

১. পরিশ্রম কম : বিয়ের আয়োজন করতে আয়োজকদের অনেক পরিশ্রম করতে হয়। প্যান্ডেল থেকে শুরু করে দাওয়াত, খাওয়া-দাওয়া, আরো কতো কাজই না করতে হয় বিয়েতে! এই কাজ গরমের দিনে একটু পরিশ্রম করলেই হাপিয়ে উঠতে হয়। কিন্তু শীতের দিনে পরিশ্রম টা তেমন গায়ে লাগে না

২. সাজুগুজু সুবিধা : বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলগুলোতে শীতের সময় ছাড়া দীর্ঘ সময় মেকআপ থাকে না। গরমে-ঘামে মেকআপে নষ্ট হয়ে যায় তাড়াতাড়ি। কিন্তু শীতের সময় বিয়ের সাজুগুজু করতে সুবিধা হয়। তাই বর-কনে ছাড়াও অন্য সবাই ইচ্ছেমতো বিয়েবাড়ির সাজের আনন্দ নিতে পারে ।

৩. ডেকোরেশন : শীতকালে গোলাপ, জুঁই, ডালিম, রজনীগন্ধা, অর্কিড, গাঁদাসহ নানান টাটকা ফুল পাওয়া যায়। তাই কৃত্রিম ফুলের দরকার পরে না । ইচ্ছেমতো বিয়ে বাড়ির পুরো আঙ্গিণাতে প্রাকৃতিক ফুল দিয়ে সাজানো যায়।

৪. মশারি টানানোর ঝামেলা নেই : বিয়ের আয়োজনে সাধারণ বাড়িতে বহু মানুষের উপস্থিতি থাকে। কিন্তু একটি পরিবারে অতিরিক্ত মশারি তেমন থাকে না। তাই শীতের সময় বিয়ে হলে সুবিধা, বেশিরভাগ সময় মশারি দরকার হয় না। এমনিতে মশা কম থাকে। আবার অনেকে কাথা-কম্বল মুড়ি দিয়ে ঘুমালে মশা কামড়ানোর সুযোগ নেই।

৫. বিদ্যুৎ বিল: শীতকালে ফ্যান চালাতে হয় না। আবার দ্রুত ঘুমানোর একটা তাড়া থাকে। তাই সব লাইট-টিভিও তাড়াতাড়ি বন্ধ হয়ে যায়। এতে মাসিক বিদ্যুৎ বিল এক্কেবারেই কম হবে।

৬ ফল কেনার ঝামেলা নেই: সাধারণত গরমের সময় নানান মৌসুমী ফল পাওয়া যায়। যেমন শীতে আম, লিচুর ফলন খুব একটা নেই। তাই শীতের সময় বিয়ে হলে মৌসুমী ফল কেনার ঝামেলাও নেই

৭. হানিমুনে সুবিধা: বিয়ের পর খুব বেড়ানো যায়। রোদের তাপ নেই, ক্লান্তি নেই। বরের হাত ধরে নতুনের স্বাদটা ভালোই উপভোগ করা যায় শীতে। একেবারে ষোলোকলা পূর্ণ এক হানিমুন!